পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর গুদামের সামনের ও আশপাশের একাধিক সিসি ক্যামেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুংঙ্খানুঙ্খভাবে তদন্ত চলছে।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, কাস্টমস হাউসের গুদাম থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে।
ঢাকা কাস্টমস হাউসের ডিসি সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন জাগো নিউজকে জানান, ভল্ট থেকে সোনা চুরির ঘটনায় কাস্টমস হাউসের কেউ জড়িত থাকলেও ছাড় দেওয়া হবে না।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টম হাউজের নিজস্ব গুদাম থেকে সোনা চুরির ঘটনায় রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়েছে। কাস্টম হাউজের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
তিনি আরও বলেন, মামলার আসামি অজ্ঞাত। এজাহারে কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা নেই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মামলাটির তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।